ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মোহাম্মদ জহিরুল করিম। ২৫ এপ্রিল বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক প্রশান্ত মিত্র

বাংলাদেশে বর্তমানে ম্যালেরিয়া পরিস্থিতি কেমন?

২০১৩ সাল পর্যন্ত ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সন্তোষজনক অগ্রগতি ছিল। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার ৮৫২ জন। কিন্তু গত বছর অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও মশারি ব্যবহারের কার্যক্রম কমে যাওয়ার কারণে রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছ ৫৭ হাজার ৪৮০ জনে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, দেশে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের হার বাড়ছে।

কোন কোন এলাকায় এর প্রাদুর্ভাব বেশী?

ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ৮০ ভাগই রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান- এ তিন পার্বত্য অঞ্চলে। এ ছাড়া ১০ ভাগ কক্সবাজারে ও তিন ভাগ চট্টগ্রামে রয়েছে। আর শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কুড়িগ্রাম, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার- এ ৮ জেলায় ৭ ভাগ রোগী রয়েছে।

ম্যালেরিয়ায় বর্তমানে মৃত্যুর হার কেমন?

২০১৩ সাল পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুর হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে। কিন্তু ২০১৪ সালে মারা গেছে ৪৫ জন রোগী।

ম্যালেরিয়ার জীবাণু কীভাবে ছড়ায়?

শুধুমাত্র সংক্রমিত স্ত্রী এ্যানোফেলিস মশার মাধ্যমে এ জীবাণু ছড়ায়। এ জাতীয় সংক্রমিত মশা কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে লালার মধ্যে দিয়ে পরাশ্রয়ী জীবাণু (প্রোটিস্টা) শরীরের সংবহনতন্ত্রে চলে যায়, তখন তা রক্তের মাধ্যমে যকৃতে (লিভার) যায়। যকৃতে গিয়ে ম্যালেরিয়ার জীবাণু বাসা বাঁধে, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় ও প্রজনন করে।

যেমন- একজন ব্যক্তি বান্দরবান গিয়ে ম্যালেরিয়ার জীবাণু নিয়ে ঢাকায় এলেন। কিন্তু ঢাকাতে জীবাণুটা ছড়ায় না। কারণ এখানে এ্যানোফেলিস মশা নেই।

ম্যালেরিয়া নির্মূল করা সম্ভব কি-না?

৬০ এর দশকে একবার ম্যালেরিয়া নির্মূলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সফল হওয়া যায়নি। এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০৩০ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূলের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কাজ চলছে।

৬০ এর দশকে কর্মসূচি নেওয়ার পরও সফল হওয়া যায়নি কেন?

তখন হেলিকপ্টারযোগে ডিডিটি নামের এক ধরনের বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মশা নিধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুর্গম এলাকায় এভাবে বিষ প্রয়োগ সম্ভব হয় নয়। এ ছাড়া এটি পরিবেশবান্ধব নয়। পরিবেশবাদীদের বাধার মুখে এটি সম্ভব হয়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে এবার কী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে?

আরলি ডায়াগনোসিস এ্যান্ড প্রুট ট্রিটমেন্ট (ইডিপিটি) কর্মসূচি চলছে। এর মানে হচ্ছে দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ পদ্ধতি। জ্বর হলেই তার মধ্যে ম্যালেরিয়ার জীবাণু আছে কিনা তা দ্রুত নির্ণয় করা, জীবাণু থাকলেও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা পেলে সে ভাল হবে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি চিকিৎসা পেলে তার থেকে নতুন কোনো মশা জীবাণু নিতে পারবে না। আবার জীবাণুযুক্ত মশা সর্বোচ্চ বাঁচবে ১২০ দিন। এভাবে ওষুধের মাধ্যমে জীবাণু ধ্বংস করা হবে এবং মশাতেও জীবাণু কমে আসবে। ধীরে ধীরে এটি নির্মূল হবে।

আরেকটি পদ্ধতি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে। সে সব দেশে সফল হলে আমাদের এখানেও চালু করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাবপ্রবণ এলাকায় সবাইকে ওষুধ খাওয়ানো হবে। কারণ দেখা গেছে, ৫-১০ শতাংশ জীবাণু আক্রান্ত মানুষের জ্বর নেই। তাদের অসচেতনতা এবং চিকিৎসা না করানোর কারণে নতুন মশা তাদের কাছ থেকে জীবাণু নিতে পারে। আক্রান্ত মশা আর মানুষ তো মারা সম্ভব নয়, তাই এ কর্মসূচির আওতায় জীবাণু ধ্বংস করে এবং নতুন মশাকে আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ না দিলে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে আসবে।

ইডিপিটি কর্মসূচি বাংলাদেশে সফল হবে বলে মনে করেন কি-না?

ইডিপিটিতে সফল হওয়া কঠিন। কারণ এলাকায় নিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীকে একই সঙ্গে সকলের বাড়ি বাড়ি যাওয়া সম্ভব নয়। এর বদলে জনগণ যদি সচেতন হয়ে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলেই স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে যায় তাহলে ইডিপিটির সফলতা সম্ভব।

এখানে সরকারের পরিবর্তে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাগুলোই বেশী কাজ করছে। কারণ সরকারের সেই পরিমাণ জনবল নেই। ৮০ শতাংশ রোগীই শনাক্ত করছে বেসরকারি সংস্থাগুলো।

এ কার্যক্রমগুলো সাধারণত বৈশ্বিক ফান্ডেই পরিচালিত হয়। সেই ফান্ডের একটি অংশ সরকার পায়। সেটা দিয়ে মশারি, ওষুধ সরবরাহ করা হয় আর বাকি ফন্ডের আওতায় বেসরকারি সংস্থাগুলো কার্যক্রম পরিচালনা করে।

আমরা প্রাদুর্ভাবপূর্ণ এলাকায় বিনামূল্যে প্রতি পরিবারে দুটি করে দীর্ঘস্থায়ী কীটনাশকযুক্ত মশারি দিচ্ছি। এটা আমরা শতভাগ পরিবারেই নিশ্চিত করতে চাই। এ পর্যন্ত ৫৭ লাখ মশারি দেওয়া হয়েছে।

জনসচেতনতায় আপনাদের কার্যক্রম-

জনসচেতনতায় সকল পর্যায় থেকেই কাজ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় উঠান বৈঠক, ইমামদের সঙ্গে আলোচনা, স্বাস্থ্যকর্মীরা পর্যায়ক্রমে বাড়ি বাড়ি গিয়েও আলোচনা করছেন।

‘ভবিষ্যতে বিনিয়োগ, কমাবে ম্যালেরিয়া’ এবারের প্রতিপাদ্যের তাৎপর্য কী?

সারাবিশ্বে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে দাতা সংস্থাগুলো ফান্ড কমিয়ে দিচ্ছে। ম্যালেরিয়াকে পরাজিত করতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এ উদ্দেশ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ প্রতিপাদ্যটি নির্বাচন করেছে।

(দ্য রিপোর্ট/পিএম/একে/এজেড/এপ্রিল ২৫, ২০১৫)

‘ম্যালেরিয়াকে পরাজিত করতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে’

২০১৫ এপ্রিল ২৫ ১২:৪২:৩৪
‘ম্যালেরিয়াকে পরাজিত করতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে’

ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মোহাম্মদ জহিরুল করিম। ২৫ এপ্রিল বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক প্রশান্ত মিত্র

বাংলাদেশে বর্তমানে ম্যালেরিয়া পরিস্থিতি কেমন?

২০১৩ সাল পর্যন্ত ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সন্তোষজনক অগ্রগতি ছিল। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার ৮৫২ জন। কিন্তু গত বছর অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও মশারি ব্যবহারের কার্যক্রম কমে যাওয়ার কারণে রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছ ৫৭ হাজার ৪৮০ জনে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, দেশে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের হার বাড়ছে।

কোন কোন এলাকায় এর প্রাদুর্ভাব বেশী?

ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ৮০ ভাগই রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান- এ তিন পার্বত্য অঞ্চলে। এ ছাড়া ১০ ভাগ কক্সবাজারে ও তিন ভাগ চট্টগ্রামে রয়েছে। আর শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কুড়িগ্রাম, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার- এ ৮ জেলায় ৭ ভাগ রোগী রয়েছে।

ম্যালেরিয়ায় বর্তমানে মৃত্যুর হার কেমন?

২০১৩ সাল পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুর হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে। কিন্তু ২০১৪ সালে মারা গেছে ৪৫ জন রোগী।

ম্যালেরিয়ার জীবাণু কীভাবে ছড়ায়?

শুধুমাত্র সংক্রমিত স্ত্রী এ্যানোফেলিস মশার মাধ্যমে এ জীবাণু ছড়ায়। এ জাতীয় সংক্রমিত মশা কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে লালার মধ্যে দিয়ে পরাশ্রয়ী জীবাণু (প্রোটিস্টা) শরীরের সংবহনতন্ত্রে চলে যায়, তখন তা রক্তের মাধ্যমে যকৃতে (লিভার) যায়। যকৃতে গিয়ে ম্যালেরিয়ার জীবাণু বাসা বাঁধে, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় ও প্রজনন করে।

যেমন- একজন ব্যক্তি বান্দরবান গিয়ে ম্যালেরিয়ার জীবাণু নিয়ে ঢাকায় এলেন। কিন্তু ঢাকাতে জীবাণুটা ছড়ায় না। কারণ এখানে এ্যানোফেলিস মশা নেই।

ম্যালেরিয়া নির্মূল করা সম্ভব কি-না?

৬০ এর দশকে একবার ম্যালেরিয়া নির্মূলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সফল হওয়া যায়নি। এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০৩০ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূলের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কাজ চলছে।

৬০ এর দশকে কর্মসূচি নেওয়ার পরও সফল হওয়া যায়নি কেন?

তখন হেলিকপ্টারযোগে ডিডিটি নামের এক ধরনের বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মশা নিধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুর্গম এলাকায় এভাবে বিষ প্রয়োগ সম্ভব হয় নয়। এ ছাড়া এটি পরিবেশবান্ধব নয়। পরিবেশবাদীদের বাধার মুখে এটি সম্ভব হয়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে এবার কী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে?

আরলি ডায়াগনোসিস এ্যান্ড প্রুট ট্রিটমেন্ট (ইডিপিটি) কর্মসূচি চলছে। এর মানে হচ্ছে দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ পদ্ধতি। জ্বর হলেই তার মধ্যে ম্যালেরিয়ার জীবাণু আছে কিনা তা দ্রুত নির্ণয় করা, জীবাণু থাকলেও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা পেলে সে ভাল হবে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি চিকিৎসা পেলে তার থেকে নতুন কোনো মশা জীবাণু নিতে পারবে না। আবার জীবাণুযুক্ত মশা সর্বোচ্চ বাঁচবে ১২০ দিন। এভাবে ওষুধের মাধ্যমে জীবাণু ধ্বংস করা হবে এবং মশাতেও জীবাণু কমে আসবে। ধীরে ধীরে এটি নির্মূল হবে।

আরেকটি পদ্ধতি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে। সে সব দেশে সফল হলে আমাদের এখানেও চালু করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাবপ্রবণ এলাকায় সবাইকে ওষুধ খাওয়ানো হবে। কারণ দেখা গেছে, ৫-১০ শতাংশ জীবাণু আক্রান্ত মানুষের জ্বর নেই। তাদের অসচেতনতা এবং চিকিৎসা না করানোর কারণে নতুন মশা তাদের কাছ থেকে জীবাণু নিতে পারে। আক্রান্ত মশা আর মানুষ তো মারা সম্ভব নয়, তাই এ কর্মসূচির আওতায় জীবাণু ধ্বংস করে এবং নতুন মশাকে আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ না দিলে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে আসবে।

ইডিপিটি কর্মসূচি বাংলাদেশে সফল হবে বলে মনে করেন কি-না?

ইডিপিটিতে সফল হওয়া কঠিন। কারণ এলাকায় নিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীকে একই সঙ্গে সকলের বাড়ি বাড়ি যাওয়া সম্ভব নয়। এর বদলে জনগণ যদি সচেতন হয়ে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলেই স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে যায় তাহলে ইডিপিটির সফলতা সম্ভব।

এখানে সরকারের পরিবর্তে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাগুলোই বেশী কাজ করছে। কারণ সরকারের সেই পরিমাণ জনবল নেই। ৮০ শতাংশ রোগীই শনাক্ত করছে বেসরকারি সংস্থাগুলো।

এ কার্যক্রমগুলো সাধারণত বৈশ্বিক ফান্ডেই পরিচালিত হয়। সেই ফান্ডের একটি অংশ সরকার পায়। সেটা দিয়ে মশারি, ওষুধ সরবরাহ করা হয় আর বাকি ফন্ডের আওতায় বেসরকারি সংস্থাগুলো কার্যক্রম পরিচালনা করে।

আমরা প্রাদুর্ভাবপূর্ণ এলাকায় বিনামূল্যে প্রতি পরিবারে দুটি করে দীর্ঘস্থায়ী কীটনাশকযুক্ত মশারি দিচ্ছি। এটা আমরা শতভাগ পরিবারেই নিশ্চিত করতে চাই। এ পর্যন্ত ৫৭ লাখ মশারি দেওয়া হয়েছে।

জনসচেতনতায় আপনাদের কার্যক্রম-

জনসচেতনতায় সকল পর্যায় থেকেই কাজ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় উঠান বৈঠক, ইমামদের সঙ্গে আলোচনা, স্বাস্থ্যকর্মীরা পর্যায়ক্রমে বাড়ি বাড়ি গিয়েও আলোচনা করছেন।

‘ভবিষ্যতে বিনিয়োগ, কমাবে ম্যালেরিয়া’ এবারের প্রতিপাদ্যের তাৎপর্য কী?

সারাবিশ্বে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে দাতা সংস্থাগুলো ফান্ড কমিয়ে দিচ্ছে। ম্যালেরিয়াকে পরাজিত করতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এ উদ্দেশ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ প্রতিপাদ্যটি নির্বাচন করেছে।

(দ্য রিপোর্ট/পিএম/একে/এজেড/এপ্রিল ২৫, ২০১৫)

- See more at: http://www.thereport24.com/article/101619/index.html#sthash.PdBf5Bxm.dpuf